দাঁড়িয়ে থেকেই কাজটি সারতে হয় তাকে। মানুষের বিবেকবোধ বলতে কিছু নেই?
ইন্সটাগ্রাম পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন একজন মা। কোলের বাচ্চাকে নিয়ে ট্রেনে চেপে গন্তব্য যাচ্ছিলেন তিনি। ট্রেনে বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ার সময় কেউ তাকে বসতেও দেননি। দাঁড়িয়ে থেকেই কাজটি সারতে হয় তাকে। মানুষের বিবেকবোধ বলতে কিছু নেই? এমটাই তার প্রশ্ন।
ব্রিটেনের একজন ব্লগারও তিনি। নাম কেট হিচেন্স। তিনি লন্ডন থেকে উইকফোর্ডে যাচ্ছিলেন। তখন দারুণ ব্যবস্তায় ছোটাছুটি করছেন সবাই। ট্রেনে বেশ ভিড়। ৩২ বছর বয়সী এই মায়ের কোলে ছিল তার ৬ মাস বয়সী পুত্র চার্লি। একে তো বাচ্চাকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন, আবার তাকে বুকের দুধও খাওয়ানো হয়। প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে বাচ্চার দেখভাল করতে হয়েছে তাকে। অথচ এই সময়ের মধ্যে কেউ তাকে বসতেও দেননি।
ইন্সটাগ্রাম পোস্টে তিনি লিখেছেন, ২০ পাউন্ড ওজনের একটা ৬ মাস বয়সী বাচ্চাকে নিয়ে চলমান ট্রেনে দাঁড়িয়ে থাকা, তাকে বুকের দুধ খাওয়ানো ইত্যাদি বিষয়ে এই দুনিয়া কী চিন্তা করে? হয়তো কিছু মানুষ বিষয়টি দেখেননি। কিন্তু বিষয়টা আমি বুঝেছি। কয়েকজনের সঙ্গে আমার চোখাচোখি হয়েছে। কিন্তু তারা কেবল মিষ্টি হাসি দিয়ছেন। আমি ভেবেছিলাম কেউ একজন তার হাসিটা বন্ধ করে আমাকে তার আসনে বসতে বলবেন।
অবশেষে এক নারী তাকে নিজের আসনে বসার কথা বলেন। কিন্তু তিনি সেখানে পৌঁছানোর আগেই আরেকজন তা দখল করে নেন।
পোস্ট করার পর সেখানে শত শত মানুষ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। সেখানে অনেকে তার বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়েছেন। আবার অনেকে বিপরীত প্রতিক্রিয়াও দেখিয়েছেন।
বিবিসি-কে দেয়া সাক্ষাৎকারে হিচেন্স জানিয়েছেন, এ বিষয়টি খুবই অস্বস্তিকর এবং হতাশাজনক। এটা বুকের দুধ খাওয়ানো বা বোতলে খাওয়ানোর বিষয় নয়। এটা আসলে দয়াশীলতা এবং সাধারণ ভব্যতা দেখানোর বিষয়।
ব্রিটেনের একজন ব্লগারও তিনি। নাম কেট হিচেন্স। তিনি লন্ডন থেকে উইকফোর্ডে যাচ্ছিলেন। তখন দারুণ ব্যবস্তায় ছোটাছুটি করছেন সবাই। ট্রেনে বেশ ভিড়। ৩২ বছর বয়সী এই মায়ের কোলে ছিল তার ৬ মাস বয়সী পুত্র চার্লি। একে তো বাচ্চাকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন, আবার তাকে বুকের দুধও খাওয়ানো হয়। প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে বাচ্চার দেখভাল করতে হয়েছে তাকে। অথচ এই সময়ের মধ্যে কেউ তাকে বসতেও দেননি।
ইন্সটাগ্রাম পোস্টে তিনি লিখেছেন, ২০ পাউন্ড ওজনের একটা ৬ মাস বয়সী বাচ্চাকে নিয়ে চলমান ট্রেনে দাঁড়িয়ে থাকা, তাকে বুকের দুধ খাওয়ানো ইত্যাদি বিষয়ে এই দুনিয়া কী চিন্তা করে? হয়তো কিছু মানুষ বিষয়টি দেখেননি। কিন্তু বিষয়টা আমি বুঝেছি। কয়েকজনের সঙ্গে আমার চোখাচোখি হয়েছে। কিন্তু তারা কেবল মিষ্টি হাসি দিয়ছেন। আমি ভেবেছিলাম কেউ একজন তার হাসিটা বন্ধ করে আমাকে তার আসনে বসতে বলবেন।
অবশেষে এক নারী তাকে নিজের আসনে বসার কথা বলেন। কিন্তু তিনি সেখানে পৌঁছানোর আগেই আরেকজন তা দখল করে নেন।
পোস্ট করার পর সেখানে শত শত মানুষ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। সেখানে অনেকে তার বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়েছেন। আবার অনেকে বিপরীত প্রতিক্রিয়াও দেখিয়েছেন।
বিবিসি-কে দেয়া সাক্ষাৎকারে হিচেন্স জানিয়েছেন, এ বিষয়টি খুবই অস্বস্তিকর এবং হতাশাজনক। এটা বুকের দুধ খাওয়ানো বা বোতলে খাওয়ানোর বিষয় নয়। এটা আসলে দয়াশীলতা এবং সাধারণ ভব্যতা দেখানোর বিষয়।
